এনটিওয়ান চত্বরে গাড়ি চলাচল করছে না এখন। তাই পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, শহরের রাস্তায় গাছ সরানোর কাজ শেষ হলে হাত দেওয়া হবে স্টুডিয়ো চত্বরের কাজে।
তুলনায় টেকনিশিয়ান স্টুডিয়ো কম ক্ষতিগ্রস্ত। দু’টো বড় গাছ পাঁচিল ভেদ করে রাস্তায় এসে পড়েছে। কিন্তু পাঁচটা ফ্লোরের কোনওটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি। সোমবার সকালে গাছ কেটে সরানোর কাজ চলছিল স্টুডিয়ো চত্বরে। কী অবস্থা ইন্দ্রপুরীর? সেখানে অবশ্য একটি মাত্র ফ্লোরে কিছুটা ক্ষতি হয়েছে।
আয়তনের নিরিখে আপাতত বাংলার সবচেয়ে বড় স্টুডিয়ো পার্পল মুভি টাউন। সেখানে শুটিং ফ্লোরে কয়েকটি অংশের চাল উড়ে গিয়েছে। কাচের জানলা ভেঙে ছড়িয়ে রয়েছে চত্বরে। একটা রেস্তোরাঁ, ক্যাফের আউটডোর সেট সম্পূর্ণ নষ্ট গিয়েছে। স্টুডিয়োর তরফে পায়েল চট্টোপাধ্যায় বললেন, ‘উম্পুনের দাপটে আমাদের ৩০ থেকে ৩৫ লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলেই আন্দাজ। কিন্তু সব কিছু আগের মতো করার কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। রাজ্য সরকারের নিয়ম অনুযায়ী পার্পল এমন জোনে, যেখানে শুটিং শুরু হতে পারে। জুন মাসের আগে স্টুডিয়ো রেডি করে দিতে হবে আমাদের’।
প্রিন্স আনোয়ার শাহ রোডে ভারতলক্ষ্মীর কর্ণধার জ্যোতি চৌখানির মন্তব্য, ‘ভারতলক্ষ্মীতে আউটডোর সেট যে গুলো ছিল, সব একেবারেই নষ্ট হয়ে গিয়েছে। এক একটা ফ্লোরে কাজ শুরু করলে বোঝা যাচ্ছে বেশ কিছু অংশে ক্ষতি হয়েছে। তবে জুনে শুটিং শুরু হলে, সেইমতো স্টুডিয়ো রেডি করে দিতে পারব আমরা।’
ভারতলক্ষ্মী থেকে ইন্দ্রপুরী, সোমবার সকালে স্টুডিয়োতে দু’ চারজন সিকিওরিটি গার্ড। বাকি জনশূন্য। টালিগঞ্জের এ সব স্টুডিয়োর বাইরে ঠাকুরপুকুর বা রাজারহাট চত্বর থেকে কিছুটা ভেতরে এমন স্টুডিয়ো রয়েছে, যেখানে সারা বছর শুটিং চলে ফিকশন বা নন-ফিকশনের।
টলিপাড়ার গমগমে ভাব ফিরবে কবে? সোমবার সকালে এই প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছিল ক্ষতবিক্ষত স্টুডিয়োগুলোতে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন